বন্দরে অটোরিকশাচালক মাসুদ রানা হত্যা মামলার আসামি জুম্মান গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছয় দিন নিখোঁজ থাকার পর ডোবা থেকে অটোরিকশাচালক মাসুদ রানার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. জুম্মানকে (২৪) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) র্যাব-১১-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে বন্দর থানার ঢাকেশ্বরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া জুম্মান বন্দর উপজেলার রামনগর এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, নিহত মাসুদ রানা (৩৫) বন্দর উপজেলার সোনাচড়া এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে। গত ২৯ জুন দুপুরে তিনি অটোরিকশা নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে ৪ জুলাই সকালে বন্দর উপজেলার ১ নম্বর ঢাকেশ্বরী এলাকায় বিল্লালের চায়ের দোকানের পেছনের একটি ডোবা থেকে মাসুদ রানার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
র্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে আরও জানানো হয়, এলাকায় মাদক বেচাকেনা এবং চুরি-ডাকাতিকে কেন্দ্র করে মাসুদ রানার সঙ্গে কয়েকজন স্থানীয় মাদক কারবারির বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে ২৯ জুন দুপুর থেকে ৪ জুলাই সকালের মধ্যে যেকোনো সময় তাঁকে শ্বাসরোধ বা আঘাত করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ডোবার পানিতে ফেলে রাখা হয়েছিল।
র্যাব-১১ জানায়, হত্যাকাণ্ড ও মরদেহ উদ্ধারের পর ছায়াতদন্ত শুরু করে র্যাবের একটি দল। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১-এর সিপিসি-১-এর একটি আভিযানিক দল বন্দর থানার ঢাকেশ্বরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার অন্যতম আসামি জুম্মানকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।