আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেলেন নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী নেতা মোহাম্মদ সোহাগ
বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে দীর্ঘদিনের অবদান এবং গুণগত মান নিশ্চিতকরণে অনন্য নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছেন নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা মোহাম্মদ সোহাগ। তিনি বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ তাকে ফার্মাসিউটিক্যাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্সে উৎকর্ষতার জন্য এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই গৌরবময় অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের ব্যবসায়িক অঙ্গন ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন।
মোহাম্মদ সোহাগ দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কৃষিভিত্তিক শিল্পগোষ্ঠী ‘মিম শরৎ গ্রুপ’-এর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও লজিস্টিকস খাতে সমন্বিত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অবদান রেখে চলেছে।
গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ডস কমিটির মূল্যায়ন অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, মান নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান এবং নৈতিক ব্যবসায়িক চর্চার কারণেই তিনি এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে তা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বাজারজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে গুণগত মান বজায় রাখতে তিনি বরাবরই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।
অ্যাওয়ার্ড প্রদানকালে আয়োজকরা উল্লেখ করেন, টেকসই উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে মানসম্মত উৎপাদন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্যপণ্যের বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণে করপোরেট সুশাসন, দক্ষ জনবল এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ মোহাম্মদ সোহাগের ব্যবসায়িক মডেল।
মোহাম্মদ সোহাগের গতিশীল নেতৃত্বে মিম শরৎ গ্রুপ শুধু দেশীয় বাজারেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়ে তুলছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি দেশীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) পালনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল ও সংশ্লিষ্টরা মোহাম্মদ সোহাগের এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে কেবল তাঁর ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক সফলতা হিসেবেই দেখছেন না, বরং এটিকে বাংলাদেশের সামগ্রিক কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য একটি বড় ও ইতিবাচক অর্জন হিসেবে বিবেচনা করছেন।