ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে কাঁচপুর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের কাজ: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ
আগামী ছয় মাসের মধ্যে ঢাকার প্রবেশমুখ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের কাজ শেষ করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ। তিনি উল্লেখ করেন, এই টার্মিনালটি চালু হলে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের ওপর চাপ কমবে এবং রাজধানীর যানজট উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।
বুধবার (২৪ জুন, ২০২৬) বিকেলে কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
যানজট নিরসনে সমন্বিত পরিকল্পনা
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকাকে যানজটমুক্ত ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
- চাপ কমানোর উদ্যোগ: যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের চাপ কমাতে কিছু কার্যক্রম কেরানীগঞ্জ ও কাঁচপুরে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- ঢাকার বাইরেই নামবে যাত্রী: টার্মিনালটি চালু হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ থেকে আসা দূরপাল্লার বাসগুলো ঢাকার ভেতরে প্রবেশ না করেই কাঁচপুরে যাত্রী নামাতে পারবে। এতে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
- নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক
- সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ ময়নুল হাসান
- জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির
- পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী
- সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাতসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা: হাবিবুর রশীদ বলেন, বিগত সময়ে বাস টার্মিনালগুলোকে পরিকল্পনাহীনভাবে ডিপো হিসেবে ব্যবহার করায় নগরবাসী দীর্ঘদিন যানজটের ভোগান্তি পোহাতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে কাজ করছে।
মহাসড়ক উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার
প্রতিমন্ত্রী ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে জানান, এই প্রকল্পের ৪৮ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কের চলমান উন্নয়নকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করা হবে।
এছাড়া, সড়ক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সিগনাল পয়েন্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
পরিদর্শনে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন: