মহানগর
বন্দরে পশুর হাটের ইজারা সম্পন্ন: ৫টি বরাদ্দ পেলেও দরদাতা মেলেনি ২ হাটে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় স্থাপিত ৭টি অস্থায়ী পশুর হাটের দরপত্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি হাটের ইজারা প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলেও কোনো দরপত্র জমা না পড়ায় বাকি ২টি হাটের ইজারা বাতিল করা হয়েছে।
আজ বুধবার (২০ মে) দুপুর ২টায় বন্দর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দরপত্র খোলার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
কোন হাট কত টাকায় ইজারা পেলেন যারা:
দরপত্র যাচাই-বাছাই শেষে উপজেলার ৫টি পশুর হাট সর্বোচ্চ দরদাতাদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়। ইজারা প্রাপ্তরা হলেন:
ফুলহর ইটভাটা প্রাঙ্গণ হাট (মদনপুর): ৯২ হাজার ৫০০ টাকায় ইজারা পেয়েছেন সাকিব মো. রাইয়ান।
মুনস্টার ক্লাবের পূর্ব পাশ (মদনপুর বাজার সংলগ্ন): ৫৮ হাজার ৫০০ টাকায় ইজারা পেয়েছেন মো. আল-আমিন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল সংলগ্ন বালুর মাঠ: সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন নুর হোসেন।
হোসেন গার্ডেন বালুর মাঠ (নবীগঞ্জ): ৫৬ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন মো. ইকবাল হোসেন।
সাবদি বাজার সংলগ্ন পশ্চিম পাশের খালি জায়গা: ৬০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন মো. নজরুল ইসলাম।
দরদাতা না থাকায় বাতিল হওয়া ২ হাট:
উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ২টি অস্থায়ী পশুর হাটে কোনো ইজারাদার বা দরপত্র জমা না পড়ায় সেগুলোর ইজারা বাতিল ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। হাট দুটি হলো—
১. কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ফরাজিকান্দা ১ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত মনির মিয়ার নিজস্ব ভূমির হাট।
২. ঐতিহ্যবাহী লাঙ্গলবন্দ বাজার সংলগ্ন খালি জায়গার অস্থায়ী পশুর হাট।
দরপত্র খোলার এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিবানী সরকার, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালামের রাজনৈতিক সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কাউসার আশা এবং বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার মনির হোসেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইজারা সম্পন্ন হওয়া হাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি নিয়মনীতি বজায় রাখতে কঠোর নজরদারি করা হবে। একই সাথে বাতিল হওয়া হাট দুটির বিষয়ে পরবর্তীতে আইনি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।