নগরের বাইরে
নাসিকে পশুর হাটের সংখ্যা বেড়ে ২৭: সর্বোচ্চ দর জালকুড়িতে, ১৩ মে প্রথম ধাপের দরপত্র জমা
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) এলাকায় কোরবানির পশুর হাটের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে।
জনভোগান্তি ও যানজট এড়াতে শহরের মূল কেন্দ্রকে পশুর হাটমুক্ত রাখার সিদ্ধান্তে অটল থেকে এবার ২৭টি অস্থায়ী হাটের ইজারা দেওয়ার প্রস্তুতি
শুরুতে ২২টি হাটের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলেও গত রোববার (১০ মে) নতুন করে আরও ৫টি হাটের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সিটি কর্পোরেশন। ফলে নাসিকের সদর, সিদ্ধিরগঞ্জ ও বন্দর অঞ্চল মিলিয়ে মোট হাটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭টিতে।
এবারের ইজারা তালিকায় সর্বোচ্চ সরকারি কাঙ্ক্ষিত মূল্য ধরা হয়েছে ২৮ লাখ টাকা, যা সিদ্ধিরগঞ্জের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জালকুড়ি এলাকার একটি হাটের জন্য নির্ধারিত। অন্যদিকে, তালিকার সর্বনিম্ন দরপত্র মূল্য ধরা হয়েছে আড়াই লাখ টাকা।
নতুন যুক্ত হওয়া ৫টি হাট:
সিটি কর্পোরেশনের দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন ৫টি হাট বসবে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব নিমাইকাশারী, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মনোয়ারা জুট মিলের উত্তর পাশ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাইলো রোড সংলগ্ন এলাকা, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জালকুড়ি ডাম্পিং স্পট এবং ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কড়ইতলায়।
এর আগে ঘোষিত ২২টি হাটের মধ্যে সানারপাড়, মৌচাক মাদানী নগর, টাইগার ওয়্যার মাঠ, বটতলা, এসও রোড, নাভানা সিটি, গোদনাইল, জালকুড়ির তিনটি স্থান, চিত্তরঞ্জন মাঠ, শীতলক্ষ্যা ব্রিজের নিচ, সোনাকান্দা, নবীগঞ্জ গুদারাঘাট এবং মুরাদপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রয়েছে।
দরপত্র জমার সময়সূচি
নাসিক কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ইজারা প্রক্রিয়া দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে:
প্রথম ধাপ (২২টি হাট): দরপত্র বিক্রি শুরু হয়েছে আজ সোমবার (১১ মে), যা চলবে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত। দরপত্র জমা নেওয়া হবে ১৩ মে এবং ওই দিনই তা উন্মুক্ত করা হবে।
দ্বিতীয় ধাপ (৫টি হাট): আগ্রহীরা ১৮ ও ১৯ মে দরপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন এবং জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২০ মে।
নগর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারও যানজট নিরসনে শহরের ভেতরের অংশে কোনো হাট বসতে দেওয়া হবে না। এছাড়া, অস্থায়ী এসব হাটের ইজারা প্রাপ্তরা কোরবানির ঈদের মাত্র তিন দিন আগে থেকে হাটে পশু তুলতে এবং বিক্রি করতে পারবেন।
খবরের শিরোনামে বা বডিতে আপনার নিউজ পোর্টালের নাম (যেমন: নারায়ণগঞ্জ ভয়েস/নারায়ণগঞ্জ সমাচার) যুক্ত করে নিতে পারেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো দিয়ে একটি 'ইনফো-কার্ড' তৈরি করলে পাঠকদের জন্য আরও সুবিধা হবে।