শেষ মুহূর্তে ধাক্কা! সদর–বন্দরে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদের মনোনয়ন বাতিল
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর–বন্দর) আসনে মনোনয়ন যাচাই–বাছাই শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাকসুদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তে সদর–বন্দর এলাকার নির্বাচনী সমীকরণে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
কেন মনোনয়ন বাতিল?
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় কাগজপত্রে ত্রুটি ও হলফনামায় অসংগতি পাওয়া যায়। নির্বাচন আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী এসব ত্রুটি সংশোধনযোগ্য না হওয়ায় মাকসুদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এক নির্বাচন কর্মকর্তা জানান,
“মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় প্রয়োজনীয় নথিতে অসংগতি পাওয়া গেছে। নির্বাচন বিধি অনুযায়ী তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।”
আপিলের সুযোগ
নির্বাচন তফসিল অনুযায়ী—
-
বাতিল হওয়া প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন
-
আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে
তবে আপিল সফল না হলে নির্বাচনের মূল লড়াইয়ে আর থাকার সুযোগ থাকবে না।
সদর–বন্দরে নির্বাচনী প্রভাব
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায়—
-
স্বতন্ত্র ভোট বিভাজন কমতে পারে
-
দলীয় প্রার্থীদের অবস্থান আরও শক্ত হতে পারে
এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
এলাকার কয়েকজন ভোটার জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের খবরে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। এখন সবাই নজর রাখছেন আপিলের ফলাফল ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার দিকে।
সামনে কী?
আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই—
-
আপিল প্রক্রিয়া শেষ হবে
-
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হবে
-
এরপর প্রকাশ পাবে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা
সব মিলিয়ে, মাকসুদের মনোনয়ন বাতিলের ঘটনায় সদর–বন্দর আসনের নির্বাচনী উত্তাপ আরও বেড়েছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে কারা থাকছেন।