মহানগর
ফতুল্লায় ৭ বছরের শিশু সৈকতকে বলাৎকারের পর হত্যা: ঘাতক কিশোর গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ৭ বছরের শিশু সৈকত ইসলাম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই নৃশংস ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জীবন মিয়া (১৫) নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত জীবন পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে, শিশুটিকে বলাৎকার করার পর সে কান্নাকাটি করায় মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ এপ্রিল বিকেলে ফতুল্লার উত্তর নরসিংপুর এলাকায় হাজী হাশেম স্পিনিং মিলের পাশে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির ভেতর থেকে শিশু সৈকতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের মাথায় ইট দিয়ে থেঁতলানো আঘাতের চিহ্ন ছিল। এই ঘটনায় নিহতের বাবা মো. সজিব মিয়া বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শামীম হোসেন তদন্তে নামেন এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করেন। গত ৭ এপ্রিল নরসিংপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত মো. জীবন মিয়াকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। আজ ৮ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করে।
স্বীকারোক্তি:
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আটক কিশোর জানায়, সে প্রথমে শিশু সৈকতকে যৌন নিপীড়ন (বলাৎকার) করে। এরপর শিশুটি চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করলে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে সে সৈকতের মাথায় ইট দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তাকে হত্যা করে।
বর্তমানে অভিযুক্ত কিশোরকে আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।