আসন্ন ঈদুল আযহা: মহাসড়কে র্যাব-১১ এর বিশেষ টহল ও পশুর হাটে কড়া নিরাপত্তা
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে এবং কোরবানির পশুর হাটের সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ নারায়ণগঞ্জের পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি শুরু হয়েছে বিশেষ টহল ও চেকপোস্ট পরিচালনার কার্যক্রম।
র্যাব জানায়, প্রতিবছর ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও যানজটের সৃষ্টি হয়। এই সুযোগে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। এসব অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম্য রুখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার আগেভাগেই নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে যেকোনো ধরনের ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং যাত্রী হয়রানি বন্ধে ২৪ ঘণ্টা নিয়োজিত রয়েছে র্যাবের বিশেষ টহল টিম। এছাড়া সন্দেহভাজন যানবাহন ও ব্যক্তিদের তল্লাশিতে বসানো হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট, যাতে কোনো ধরনের অবৈধ অস্ত্র বা মাদক পরিবহন করা না হতে পারে।
বাস কাউন্টারে মোবাইল কোর্ট ও পশুর হাটের নিরাপত্তা
ঈদে ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে যাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা না হয়, সেজন্য জেলা প্রশাসন নারায়ণগঞ্জের সহায়তায় চিটাগাং রোড, সাইনবোর্ড এবং চাষাড়া মোড়সহ বিভিন্ন বাস কাউন্টারে কড়া নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সাথে কোরবানির পশুর হাটে জালিয়াতি রুখতে জাল টাকা শনাক্তকরণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তৎপর রয়েছে র্যাব-১১ এর সদস্যরা।
"‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ এই স্লোগান নিয়ে র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল আযহা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে আমাদের আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, যা জনগণের আস্থা অর্জনে সর্বদা নিয়োজিত।"
আসন্ন উৎসবকে নিরাপদ ও আনন্দময় করতে র্যাবের এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।