“কোনো চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীর সঙ্গে আপস নয়, প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না জবাব আমিও চাই” – এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন
চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে কোনো ধরনের আপস বা আঁতাতের রাজনীতি করার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন এবং উপজেলা প্রশাসনের সরকারি কর্মসূচিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের উপস্থিতির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিতর্কিত ব্যক্তিদের উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হওয়া সমালোচনার জবাবে এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন:
“আমি এখনো চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে। আমি কাউকে পাশে বসাই নাই। উপজেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে বিএনপি নেতা কোটায় কেউ আসলে সেটা উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব।”
তিনি আরও যোগ করেন, “সরকারি প্রোগ্রামে চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীরা কীভাবে থাকে তাদের প্রশ্ন করেন, আমিও করেছি, করবো। কিন্তু প্রশাসনের কাজের দায় আমাকে দিয়ে চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসীদের দায়মুক্তি দিয়েন না।”
ফেসবুক পোস্টে তিনি স্পষ্ট দাবি করেন, কোনো সন্ত্রাসী বা অপরাধীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার নীতিতে তিনি বিশ্বাসী নন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামি, বিগত সরকারের নৌকার চেয়ারম্যান এবং চিহ্নিত চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান অপরিবর্তিত। তিনি উল্লেখ করেন, “কোনো চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসীদের নিয়ে আমরা রাজনীতি করি না। তাদের পাশে নিয়ে আঁতাত করে রাজনীতি করার প্রশ্নই আসে না।”
বিএনপি নামধারী ও অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন কেন নীরব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই সংসদ সদস্য। তিনি সাধারণ মানুষকেও প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে বলেন, “প্রশাসনকে বারবার বলার পরেও প্রশাসন বিএনপি নামধারী এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে কেন অ্যাকশন নেয় না তার জবাব আমিও চাই। আপনারাও প্রশাসনকে জবাবদিহি করুন।”
একই সঙ্গে, নিজের দল বা নিজের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি অপরাধ করার চেষ্টা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধেও শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি ঘোষণা করেছেন তিনি। এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন:
“আমার বা আমার দলের পরিচয়ে কোনো সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজি কেউ করলে তাকেও আইনের আওতায় আনার ব্যাপারে আমার সর্বাত্মক সমর্থন থাকবে। কোনো ছাড় নাই।”